ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী নোয়াখালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নোয়াখালী জেলা থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এই শহীদ মিনারটি প্রথমে বেগমগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হলেও পরবর্তীতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একাধিকবার স্থান পরিবর্তন করে বর্তমানে এটির পাশে স্থাপন করা হয়েছে। জেলা জজ আদালত।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতির প্রথম স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন। এ আন্দোলনে সাড়া দিয়ে নোয়াখালীর ছাত্র-শিক্ষকসহ সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওঠে। আইয়ুব শাসকগোষ্ঠীর নজর এড়িয়ে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে বেগমগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একদল প্রগতিশীল যুবক মাটি দিয়ে জেলার প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করে। ওইদিন পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে নোয়াখালী জেলায় প্রথম শহীদ মিনার দিবস পালিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৬৩ সালে ইট ও সিমেন্ট দিয়ে শহীদ মিনারটি স্থায়ীভাবে স্থাপন করা হলেও স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে শহীদ মিনারটি জেলা জজ আদালতের পাশে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৯২ সালের নভেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি শিশু পার্কে স্থানান্তর করা হয়। , জেলা জজ আদালত সংলগ্ন। ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই শহীদ মিনারের উন্মুক্ত মঞ্চে বিশেষ বিশেষ দিনে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মেলার আয়োজন করা হয়।



