চর আলেকজান্ডার লক্ষ্মীপুর পরিচিতি
লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার ৪নং ইউনিয়নে চর আলেকজান্ডারের অবস্থান। বৃটিশ শাসনামলে আলেকজান্ডার নামে এক ইংরেজ ভদ্রলোক রামাগাতী এসল্যান্ড অফিসে রাজস্ব আদায়কারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ইউনিয়নটির নাম আলেকজান্ডার রাখা হয়েছিল তার নামানুসারে চর আলেকজান্ডার (চর আলেকজান্ডার) বর্তমানে লক্ষ্মীপুরের অন্যতম পর্যটন এলাকা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত মেঘনা বেড়িবাঁধ ও নদীর সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ এখানে আসেন।
চারিদিকে সবুজ মাঠ, বাঁধের উপর আছড়ে পড়া মেঘনার ঢেউ আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে খুঁজে পাওয়া যায় এক প্রশান্তি। আরও কিছু সময় থাকলে ঘুরে আসতে পারেন সুবর্ণ চর ও নুরু পাটোয়ারীর চর আলেকজান্ডার ঘাট। নির্মল প্রকৃতিতে একটি বিকেল কাটানো এবং সূর্যাস্তের সাথে সাথে ঘরে ফেরা ব্যস্ত জীবনের একঘেয়েমি থেকে অনেকটা মুক্তি দেবে। আর এখানে আপনি মহিষের দুধ দিয়ে তৈরি দই পাবেন, আপনি চাইলে ট্রাই করে দেখতে পারেন।
কিভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকার সয়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীনল্যান্ড এক্সপ্রেস, আলবারাকা, আলম, রয়্যাল, ইকোনো এবং ঢাকা এক্সপ্রেসসহ বেশ কিছু পরিবহন বাস লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। তাদের মধ্যে শুধু রয়্যালসের এসি কোচ। সায়েদাবাদ থেকে লক্ষ্মীপুর পৌঁছাতে সময় লাগে ৪/৫ ঘণ্টা। ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর বাসের ভাড়া জনপ্রতি ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)। লক্ষ্মীপুর ঝুমুর সিনেমা হলের সামনে বাস থেকে নামুন এবং সেখান থেকে লোকাল বাসে আলেকজান্ডার ঘাটে যান ভাড়া জনপ্রতি 50 টাকা (পরিবর্তনশীল)।
এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে রামগতি বাসে সরাসরি আলেকজান্ডার লঞ্চঘাটে যাওয়া যায়। অথবা আপনি ঢাকা থেকে নোয়াখালী যাওয়ার হিমাচল বা একুশে এক্সপ্রেস বাসে করে সোনাপুরে নেমে সেখান থেকে সুবর্ণচর এক্সপ্রেস বাস বা সিএনজি করে চর আলেকজান্ডার চেয়ারম্যান ঘাটে যেতে পারেন।
কোথায় থাকবেন
লক্ষ্মীপুরে বেশ কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। আপনি চাইলে সোনার বাংলা গেস্ট হাউস, হোটেল অভয়াট, হোটেল রোজ বা স্টার গেস্ট হাউসে রাত কাটাতে পারেন।
কোথায় খাবেন
লক্ষ্মীপুরে রয়েছে বিভিন্ন মানের হোটেল, ফাস্ট ফুডের দোকান এবং চাইনিজ রেস্টুরেন্ট। হোটেল রাজমহল, কুটুম বাড়ি, আব্বাস আলী রেস্টুরেন্ট, মোহাম্মদিয়া হোটেল বা ফুড গার্ডেন রেস্টুরেন্টে খেতে পারেন।