বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘর নোয়াখালী

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘর নোয়াখালী

নোয়াখালী
·

২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘর নোয়াখালী পরিচিতি

মোঃ রুহুল আমিন ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সাত শহীদের একজন। বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘর ২০০৮ সালের ২০ জুলাই সদর দেওটি ইউনিয়নের বাগপাচড়া গ্রামে (বর্তমান রুহুল আমিন নগর) রুহুল আমিনের পৈতৃক জমিতে নির্মিত হয়। নোয়াখালী জেলা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে সোনাইমুড়ী উপজেলা। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত, স্মৃতি জাদুঘরে একটি সুসজ্জিত গ্রন্থাগার, অফিস এবং অভ্যর্থনা কক্ষ রয়েছে।
বীরশ্রেষ্ঠ মোঃ রুহুল আমিন ১৯৩৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ৯নং দেওটি ইউনিয়নের বাগপাচড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। রুহুল আমিনের বাবার নাম আজাহার পাটোয়ারী এবং মাতার নাম জুলেখা খাতুন। তিনি বাগপাচড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষাজীবন শুরু করেন এবং 1949 সালে আমিশাপাড়া কৃষক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন।
মোঃ রুহুল আমিন বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাবে ভূষিত হন। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বিএনএস রুহুল আমিনের নামকরণ করা হয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোঃ রুহুল আমিনের নামে।

কিভাবে যাবেন

নোয়াখালী জেলা সদর (মাইজদী) থেকে আপনি বাস বা সিএনজিতে সোনাইমুড়ী পৌঁছাতে পারেন এবং রিকশা বা ইজিবাইকে করে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোঃ রুহুল আমিন লাইব্রেরী ও স্মৃতিসৌধে যেতে পারেন।
ঢাকা থেকে নোয়াখালীর মাইজদী থেকে বাসে ঢাকা সয়দাবাদ বাস টার্মিনাল, একুশে এক্সপ্রেস, মুনলাইন এন্টারপ্রাইজ, হিমাচল এক্সপ্রেসের বাসে নোয়াখালীর মাইজদী যাওয়া যায়। রাত ১০টা ২০ মিনিটে ধানমন্ডি জিগাতলা কাউন্টার থেকে নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় একুশে পরিবহনের বাস। এসব বাসের নন-এসি ও এসি কোচের ভাড়া ৫০০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা।
ঢাকা থেকে নোয়াখালীর মাইজদী ট্রেনে ঢাকা থেকে ট্রেনে নোয়াখালীর মাইজদী স্টেশনে নামুন। উপকুল এক্সপ্রেস নামের একটি আন্তঃনগর ট্রেন মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের ৬ দিন বিকেল ৩:১০ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর থেকে নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়, মাইজদীতে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৬ ঘণ্টা। ট্রেনের টিকিটের মূল্য ৩১৫ টাকা।

কোথায় থাকবেন

নোয়াখালীতে থাকার জন্য কিছু মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে। কম খরচে রাতারাতি থাকার পাশাপাশি, প্রায় প্রতিটি আবাসিক হোটেলে খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়। নোয়াখালী সার্কিট হাউস ছাড়াও উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে- পূবালী হোটেল, রয়েল হোটেল, হোটেল আল মোর্শেদ, টাউন হল, হোটেল রাফসান, হোটেল লিটন এবং নোয়াখালী গেস্ট হাউস।
ফিচার ইমেজঃ ওবায়দুল হক

সম্পর্কিত পোস্ট

নিঝুম দ্বীপ

নিঝুম দ্বীপ নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের একটি ছোট দ্বীপ। প্রায় 14,050 একর আয়তনের এই দ্বীপে কামলার ...

শাফায়েত আল-অনিক

•

৬ নভেম্বর, ২০২৫

বজরা শাহী মসজিদ

নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নে নির্মিত ঐতিহাসিক মসজিদটির নাম বজরা শাহী মসজিদ। বজরা শাহী মসজিদ দিল্লির ...

শাফায়েত আল-অনিক

•

২৩ অক্টোবর, ২০২৫

নোয়াখালী ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক

নোয়াখালী জেলার ধর্মপুর গ্রামে প্রায় ২৫ একর জায়গা জুড়ে নির্মিত হয়েছে নোয়াখালী ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক। সম্পূর্ণ ব্যক্ ...

শাফায়েত আল-অনিক

•

২০ ডিসেম্বর, ২০২৫

logo ColoZai

ColoZai is a trusted travel guide and destination explorer platform in Bangladesh. We are making travel simple, authentic, and accessible for everyone.

Need Help ?

We are Always here for you! Knock us on Whatsapp (10AM - 10PM) or Email us.